শীর্ষ সংবাদ
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের ১১ প্রতিষ্ঠানের|‘শেখ হাসিনা যে পথে গেছেন, তারেক রহমানও সেই পথে যাবেন’—ময়মনসিংহে মামুনুল হক|বজ্রপাতের মৃত্যু ফাঁদে বাংলাদেশ, ১২ বছরে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৪ হাজার মানুষ|মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন ফুটবলারের স্ত্রী|রুপার দাম বাড়াল বাজুস, ২২ ক্যারেটের ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা|‘ছাত্রদলের কাজ ওসিকে ফুল দেওয়া নয়, শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় করা’|রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকবে না|ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ২৩৫, আহত দেড় হাজারের বেশি|চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু প্রধানমন্ত্রীর|আশুরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের শিক্ষা দেয়: চরমোনাই পীর|বাজারে স্থিতিশীলতা থাকলেও কমেনি দাম, ভোগান্তিতে মধ্যবিত্ত|২০২৫ সালের জন্য ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে ইসলামী ইন্স্যুরেন্স|বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহ দুই পক্ষের|আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সভায় যোগ দিতে মঙ্গোলিয়া যাচ্ছেন বিএনপির প্রতিনিধিরা|ব্রাজিলের জয়ে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন|৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভেনেজুয়েলা|ফ্রান্সে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দাবদাহ, সাঁতার কাটতে গিয়ে ৪০ জনের মৃত্যু|বাংলা কিউআর চালু ১ জুলাই, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন যুগের প্রত্যাশা|রামিসার মায়ের চিকিৎসায় সহায়তার উদ্যোগ নিলেন অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম|ঢাকার বাতাস আজ সহনীয়, দূষিত শহরের তালিকায় ১৪তম অবস্থান|তৃণমূল থেকে মমতার ‘অপসারণ’, বিদ্রোহীদের নতুন কমিটি ঘোষণা|আদিবাসীদের আয়কর অব্যাহতি বহাল রাখার দাবি চার সংসদ সদস্যের|ধানমন্ডি ৩২-এ জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল|অবশেষে হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’|ছয় বিশ্বকাপে মেসির ১৮ গোলের অনন্য গল্প|যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় নতুন রোডম্যাপ, ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্য|৮৮ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি সত্ত্বেও রেকর্ড রাজস্ব আদায়ের পথে এনবিআর|সাইফুল্লাহ বারী হত্যাকাণ্ড বর্বর ও মানবতাবিরোধী: গোলাম পরওয়ার|আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান|গাজায় ইসরাইলি হামলায় আল জাজিরার ক্যামেরাপারসনসহ নিহত ৬
জাতীয়

বজ্রপাতের মৃত্যু ফাঁদে বাংলাদেশ, ১২ বছরে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৪ হাজার মানুষ

Sub Editor

২৮ জুন ২০২৬, ০৭:১৩
বজ্রপাতের মৃত্যু ফাঁদে বাংলাদেশ, ১২ বছরে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৪ হাজার মানুষ

আজ আন্তর্জাতিক বজ্রপাত নিরাপত্তা দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য— ‘শুনলে বজ্রধ্বনি, ঘরে যাই তখনই’। তবে সচেতনতার এ বার্তার মধ্যেও বাংলাদেশে বজ্রপাত ক্রমেই একটি বড় জননিরাপত্তা সংকটে পরিণত হচ্ছে। গত ১২ বছরে দেশে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন ৩ হাজার ৮৬০ জন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতি বছর গড়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে।


সংশ্লিষ্টদের মতে, উন্নত পূর্বাভাস প্রযুক্তি ও সতর্কবার্তা ব্যবস্থা চালু থাকলেও মাঠপর্যায়ে সময়মতো মানুষের কাছে তথ্য পৌঁছে দিতে না পারায় প্রাণহানি কমানো এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।


সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের হাওরাঞ্চল। বিস্তীর্ণ খোলা প্রান্তর, জলাভূমিনির্ভর জীবনযাত্রা, কৃষিকাজে দীর্ঘ সময় উন্মুক্ত পরিবেশে অবস্থান এবং নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবের কারণে নেত্রকোণা, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারকে বজ্রপাতের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তন, মৌসুমি আবহাওয়ার পরিবর্তিত আচরণ এবং সীমিত প্রস্তুতির কারণে এসব এলাকায় বজ্রপাতজনিত প্রাণহানির আশঙ্কা তুলনামূলক বেশি।


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে বছরে গড়ে ৮২ দশমিক ৪৪টি বজ্রপাত ঘটে। বিশ্বের কিছু অঞ্চলে বজ্রপাতের ঘনত্ব আরও বেশি হলেও উন্নত অবকাঠামো, আগাম সতর্কতা এবং নিরাপদ আশ্রয়ব্যবস্থার কারণে সেখানে প্রাণহানি কম। অন্যদিকে বাংলাদেশে বজ্রপাতের সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছেন খোলা মাঠে কাজ করা কৃষক, জেলে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ।


গবেষণা বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় মোট মৃত্যুর সংখ্যায় ভারত এগিয়ে থাকলেও আয়তনের তুলনায় বজ্রপাতজনিত মৃত্যুঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান উদ্বেগজনক। প্রতি এক হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় বজ্রপাতজনিত মৃত্যুহারে বাংলাদেশ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।


রিজিওনাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টি-হ্যাজার্ড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমের গবেষক গোলাম রাব্বানী জানান, বৈশ্বিকভাবে ভেনেজুয়েলার লেক মারাকাইবো বিশ্বের অন্যতম বজ্রপাতঘন এলাকা। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, যেখানে বছরে প্রতি বর্গকিলোমিটারে গড়ে ১০৩টি বজ্রপাতের ফ্ল্যাশ রেকর্ড করা হয়েছে। সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুরও উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে।


অন্যদিকে ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী ও ঝিনাইদহ তুলনামূলক কম বজ্রপাতপ্রবণ জেলা হিসেবে পরিচিত। উপজেলা পর্যায়ে রাজাপুর, কাঁঠালিয়া ও মঠবাড়িয়াকে কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।


এক যুগে ৩ হাজার ৮৬০ মৃত্যু

সরকার ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫ সালে বজ্রপাতে ২২৬ জন, ২০১৬ সালে ৩৯১ জন, ২০১৭ সালে ৩৮৮ জন, ২০১৮ সালে ৩৫৯ জন, ২০১৯ সালে ৪০১ জন, ২০২০ সালে ৪২৭ জন, ২০২১ সালে ৩৬৩ জন, ২০২২ সালে ৩৩৭ জন, ২০২৩ সালে ৩২২ জন, ২০২৪ সালে ২৭১ জন এবং ২০২৫ সালে ২৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৪ জুন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৩২ জন।


তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঠপর্যায়ের ঝুঁকি এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে বিদ্যমান।


মার্চ থেকে মে সবচেয়ে প্রাণঘাতী

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, দেশে সারা বছরই বজ্রপাত হলেও মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে। এ সময়ে দেশের মোট বজ্রপাতের প্রায় ৩৮ শতাংশ ঘটে। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে ঘটে প্রায় ৫১ শতাংশ বজ্রপাত। অক্টোবর ও নভেম্বরে এ হার প্রায় ৮ শতাংশ এবং ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারিতে ২ থেকে ৩ শতাংশ।


তার মতে, সংখ্যায় তুলনামূলক কম হলেও মার্চ থেকে মে মাসের বজ্রপাত বেশি শক্তিশালী ও প্রাণঘাতী হয়ে থাকে।


আবহাওয়া অধিদপ্তরের জলবায়ু মহাশাখার উপপরিচালক ড. রাশেদুজ্জামান বলেন, আগে বজ্রপাতের প্রকোপ মূলত প্রাক-বর্ষা মৌসুমে বেশি থাকলেও ২০১৬ সালের পর থেকে বর্ষা মৌসুমেও এর প্রবণতা ও প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়ছে, যা বজ্রমেঘ তৈরির প্রক্রিয়াকে আরও তীব্র করতে পারে।


বজ্রনিরোধক ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন

হাওরাঞ্চলে বজ্রপাতজনিত মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে বিশাল খোলা মাঠ ও নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন এলাকায় বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন করা হলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক স্থানে এগুলো কার্যকর নয়।


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এখন হাওর ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ‘কৃষক ছাউনি কাম লাইটনিং অ্যারেস্টার’ নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে কৃষকেরা ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় দ্রুত আশ্রয় নিতে পারবেন।


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের পরিচালক নিতাই চন্দ্র দে সরকার জানান, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৫ জেলায় প্রায় ৬ হাজার ৭০০ বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা এবং প্রায় ৩ হাজার ৫০০ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।


আগাম পূর্বাভাস মিলছে, পৌঁছাচ্ছে না মানুষের কাছে

বর্তমানে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও রাইমস স্যাটেলাইট ও সেন্সরভিত্তিক তথ্য ব্যবহার করে এক থেকে চার ঘণ্টা আগেই বজ্রপাতের পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। পরীক্ষামূলকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সরকারি প্ল্যাটফর্মে সতর্কবার্তাও দেওয়া হচ্ছে।


তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো প্রান্তিক মানুষের কাছে সময়মতো এ বার্তা পৌঁছে না যাওয়া। হাওরাঞ্চলের অনেক কৃষক ও জেলের কাছে নিয়মিত স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট সুবিধা নেই। এছাড়া অবস্থানভিত্তিক সতর্কবার্তা, স্বয়ংক্রিয় সাইরেন কিংবা মোবাইলভিত্তিক জরুরি বার্তা ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।


কুসংস্কারও বাড়াচ্ছে ঝুঁকি

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বজ্রপাত নিয়ে সমাজে এখনো নানা ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন মোবাইল ফোন, হাতঘড়ি বা রাবারের জুতা বজ্রপাত থেকে সুরক্ষা দেয় বা বজ্রপাত আকর্ষণ করে। এসব ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।


গোলাম রাব্বানী বলেন, সবচেয়ে বিপজ্জনক ভুল ধারণা হলো— বজ্রপাতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে স্পর্শ করলে অন্যরাও আক্রান্ত হতে পারেন। বাস্তবে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে কোনো বিদ্যুৎ জমা থাকে না। দ্রুত চিকিৎসা, শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দন পরীক্ষা এবং প্রয়োজন হলে সিপিআর প্রয়োগের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে জীবন রক্ষা করা সম্ভব।


বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বজ্রধ্বনি শোনামাত্রই খোলা স্থান ত্যাগ করে পাকা ভবন বা নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে। শেষ বজ্রধ্বনি শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে হবে। খোলা মাঠে আটকা পড়লে মাটিতে শুয়ে না থেকে নিচু হয়ে বসে শরীর সংকুচিত করে রাখা এবং দুই হাতে কান ঢেকে রাখা তুলনামূলক নিরাপদ। বাসায় থাকলে জানালার গ্রিল, পানির কল এবং বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে দূরে থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।


বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তিনির্ভর সতর্কবার্তার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ আশ্রয়ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং কুসংস্কার দূর করতে পারলেই বজ্রপাতজনিত প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।

বজ্রপাতের মৃত্যু ফাঁদে বাংলাদেশ, ১২ বছরে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৪ হাজার মানুষ

বজ্রপাতের মৃত্যু ফাঁদে বাংলাদেশ, ১২ বছরে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৪ হাজার মানুষ

আজ আন্তর্জাতিক বজ্রপাত নিরাপত্তা দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য— ‘শুনলে বজ্রধ্বনি, ঘরে যাই তখনই’। তবে সচেতনতার এ বার্তার মধ্যেও বাংলাদেশে বজ্রপাত ক্রমেই একটি বড় জননিরাপত্তা সংকটে পরিণত হচ্ছে। গত ১২ বছরে দেশে...

রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকবে না

রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকবে না

বিদ্যুৎ লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও লাইনের আশপাশের গাছপালা ছাঁটাইয়ের কাজের কারণে শনিবার দেশের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক ঘণ্টা থেকে সর্বোচ্চ ৯ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ...

চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু প্রধানমন্ত্রীর

চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু প্রধানমন্ত্রীর

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ অবস্থিত...

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহ দুই পক্ষের

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহ দুই পক্ষের

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেইজিংয়ের...

Bangla Star

সর্বশেষ সংবাদ ও বিনোদন

বিভাগসমূহ

জাতীয়রাজনীতিখেলাবিনোদনজীবনযাপনপ্রযুক্তিঅর্থনীতিসারাদেশঅপরাধআন্তর্জাতিক