এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার, নেই মামলা ; আত্মসাতের অভিযোগ খোদ পুলিশের বিরুদ্ধে!

জোবায়ের হোসেন, চট্টগ্রাম :
মাদকবিরোধী অভিযানে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের মধ্যেই চট্টগ্রামে সামনে এসেছে এক নজিরবিহীন ও উদ্বেগজনক ঘটনা। কক্সবাজার থেকে ঢাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা এক লাখ ইয়াবা বড়ি উদ্ধারের পর আইনানুগ প্রক্রিয়ায় মামলা রুজু বা আলামত জব্দ না করে তা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে খোদ পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে।
আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক এক পুলিশ সদস্যকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নির্দেশে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ঘটনার প্রায় ছয় মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত দায়ের হয়নি কোনো নিয়মিত মামলা, উদ্ধার হয়নি আত্মসাৎ হওয়া ইয়াবা এবং গ্রেপ্তারও করা হয়নি মূল অভিযুক্তকে।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) অভ্যন্তরীণ তদন্তে উঠে আসা এসব তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহি, পেশাগত সততা এবং মাদকবিরোধী অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণের সুস্পষ্ট সুপারিশ করা হলেও এখন পর্যন্ত প্রধান অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনাটির সূত্রপাত গত বছরের ৮ ডিসেম্বর।সেদিন কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি দূরপাল্লার বাসে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বহন করা হচ্ছিল। পরে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকায় পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে বাসটি থামানো হলে এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে এক লাখ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।
তবে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা আদালতে উপস্থাপন বা সরকারি মালখানায় জমা দেওয়ার পরিবর্তে রহস্যজনকভাবে গায়েব হয়ে যায়। বাজারমূল্যে যার পরিমাণ প্রায় দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা।
দীর্ঘদিন ঘটনাটি লোকচক্ষুর আড়ালে থাকলেও পরবর্তীতে ইয়াবাসহ আটক হওয়া ব্যক্তির সঙ্গে আরেকজনের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
অডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ বাধ্য হয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. ওয়াহিদুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত কমিটি একাধিক পুলিশ সদস্য, প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ, তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনা করে তদন্ত সম্পন্ন করে।
তদন্ত শেষে গত ২৯ এপ্রিল ছয় পৃষ্ঠার প্রতিবেদন পুলিশ সদর দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত মামলা দায়ের এবং আত্মসাৎ হওয়া মাদক উদ্ধারের সুপারিশ করা হয়। তবে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রায় দেড় মাস পরও প্রধান অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বিচারকের গানম্যানের দায়িত্বে ছিলেন অভিযুক্ত কনস্টেবল
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য ইমতিয়াজ হোসেন সে সময় কক্সবাজার জেলা আদালতের এক বিচারকের গানম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।তিনি কক্সবাজারের মোশাররফ নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ইয়াবাভর্তি একটি লাগেজ গ্রহণ করেন। ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার বিনিময়ে তাঁর ৮০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা ছিল। অর্থাৎ, তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে তিনি মাদক পরিবহনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহক হিসেবে কাজ করছিলেন।দেশ ট্রাভেলস পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব ১৫-১৬৪২) একটি বাসে করে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।বাসটি কর্ণফুলী নদীর শাহ আমানত সেতু অতিক্রম করার পর বাকলিয়া থানার এএসআই সাদ্দাম হোসেন ও সাদাপোশাকে থাকা পুলিশের এক সোর্স বাসে ওঠেন। তারা ঘুমিয়ে থাকা ইমতিয়াজকে জাগিয়ে তোলেন।পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন এবং পরিচয়পত্র প্রদর্শন করেন।
পুলিশ বক্সে নেওয়ার পর মিলল ইয়াবার চালান
পরে তাঁকে বাস থেকে নামিয়ে একটি পুলিশ বক্সে নেওয়া হয়। কিছু সময়ের মধ্যে তাঁর বহন করা লাগেজটিও বাস থেকে নামিয়ে সেখানে আনা হয়।
বাসের সুপারভাইজার মো. মিজান ঘটনাটি পর্যবেক্ষণের জন্য পুলিশ বক্সে গেলে এসআই আমির হোসেন তাঁকে বাস নিয়ে চলে যেতে নির্দেশ দেন। এরপর চালক মো. সুলতান বাসটি নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ফলে সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য-প্রমাণের একটি উৎস সেখানেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
তদন্ত কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ বক্সে উপস্থিত ছিলেন বাকলিয়া থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ, এসআই আল-আমিন সরকার, এসআই আমির হোসেন, এএসআই সাদ্দাম হোসেন এবং আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য।
সেখানে ইমতিয়াজের লাগেজ খুলে দেখা হলে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে লাগেজ সামান্য খুলেই ইয়াবার অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়ার পর তা পুনরায় বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে একে একে ইয়াবার প্যাকেটগুলো বের করা হয়।
প্রতিটি প্যাকেটে ১০ হাজার করে মোট ১০টি প্যাকেটে এক লাখ ইয়াবা বড়ি ছিল।
‘ইয়াবা রেখে, মানুষ ছেড়ে দেওয়া হয়’
জিজ্ঞাসাবাদের সময় ইমতিয়াজ নিজের মুক্তির জন্য অনুরোধ করেন। এরপর উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ইয়াবার প্যাকেটগুলো নিজেদের হেফাজতে রেখে কেবল লাগেজ ও ব্যক্তিগত মালামাল ফেরত দেওয়া হয় ইমতিয়াজকে। পরে তাঁকে কোনো ধরনের আইনগত প্রক্রিয়ার মুখোমুখি না করেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ বক্স থেকে বেরিয়ে ইমতিয়াজ একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে অলংকার মোড় বাসস্ট্যান্ডে যান এবং সেখান থেকে কুমিল্লায় নিজ গ্রামের বাড়িতে চলে যান।
ওসির নির্দেশেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্নের অভিযোগ
তদন্ত প্রতিবেদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে বলা হয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে বাকলিয়া থানার তৎকালীন ওসি আফতাব উদ্দিনের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায়।
তদন্ত কমিটির মতে, আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও তিনি মামলা গ্রহণ করেননি এবং অধীনস্থ কর্মকর্তাদেরও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ থেকে বিরত রেখেছেন।
শুধু তাই নয়, ঘটনার পর সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচিত ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজও সংরক্ষণ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওসি আফতাব উদ্দিন ইয়াবা গায়েবের বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি এবং আলামত সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন।
আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ
তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৪৬ ধারা অনুযায়ী মাদকসংক্রান্ত অপরাধ একটি আমলযোগ্য অপরাধ।ফলে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের পর মামলা দায়ের করা ছিল আইনগত বাধ্যবাধকতা। কিন্তু তৎকালীন বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন শেখ মামলা গ্রহণ না করে বাংলাদেশ পুলিশ প্রবিধানমালা (পিআরবি)-এর ২৪৪ বিধি লঙ্ঘন করেছেন।একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ আইনের ২৯ ধারা ভঙ্গের অভিযোগও আনা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ ওসির নির্দেশেই ইয়াবা বহনকারী ইমতিয়াজকে ছেড়ে দেন। ফলে তাঁর বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।এতে আরও বলা হয়েছে, তানভীর আহমেদ, এসআই আল-আমিন সরকার, এসআই আমির হোসেন, এএসআই সাদ্দাম হোসেন এবং কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার করে আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে আত্মসাৎ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন।
অন্যদিকে এএসআই সাইফুল আলম, এএসআই জিয়াউর রহমান, এএসআই এনামুল হক, কনস্টেবল রাশেদুল হাসান এবং কনস্টেবল উম্মে হাবিবা স্বপ্নার বিরুদ্ধে অবৈধ কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা এবং পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে মিথ্যাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বরখাস্ত একাধিক পুলিশ সদস্য, বহাল আছেন ওসি
ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর এসআই আল-আমিন সরকার, এসআই আমির হোসেন, এএসআই সাইফুল আলম, এএসআই জিয়াউর রহমান, এএসআই সাদ্দাম হোসেন, এএসআই এনামুল হক, কনস্টেবল রাশেদুল হাসান এবং কনস্টেবল উম্মে হাবিবা স্বপ্নাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
একই সঙ্গে অভিযুক্ত কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেনকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
সর্বশেষ গত ৯ জুন বাকলিয়া থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
তবে পুরো ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড হিসেবে অভিযুক্ত তৎকালীন ওসি আফতাব উদ্দিন শেখের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদনে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হলেও এখন পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বরং তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরের গুরুত্বপূর্ণ কোতোয়ালি থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আফতাব উদ্দিন শেখ বলেন, “ইয়াবার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি আত্মসাৎ করিনি। ঘটনার সময় আমি বাসায় ছিলাম।”
কী বলছেন আইন বিশ্লেষকরা
আইন বিশ্লেষকদের মতে, এক লাখ ইয়াবা বড়ির মতো বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের পরও মামলা না হওয়া, আলামত গায়েব হয়ে যাওয়া এবং অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা দেশের মাদকবিরোধী অভিযানের ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল।
তাদের মতে, এটি কেবল দায়িত্বে অবহেলার বিষয় নয়; বরং এর পেছনে সংগঠিত অপরাধচক্র, আর্থিক লেনদেন কিংবা প্রভাবশালী কোনো মহলের সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার বলেন, “মাদকসহ আটক কোনো ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া নিজেই একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। উদ্ধার হওয়া মাদক কোথায় গেল, কেন জব্দ তালিকা করা হয়নি, কেন এফআইআর দায়ের হয়নি এবং অভিযুক্তকে কোনো বেআইনি সুবিধার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কি না, এসব বিষয় উদ্ঘাটন করা জরুরি।”
তদন্ত চলমান, ‘জিরো টলারেন্স’ কমিশনারের
তদন্ত প্রতিবেদনে নিয়মিত মামলা দায়ের, আত্মসাৎ হওয়া ইয়াবা উদ্ধার, ইয়াবা সরবরাহকারী মোশাররফকে গ্রেপ্তার এবং তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের সঙ্গে থাকা সাধারণ চেকারদের নাম-ঠিকানা উদ্ঘাটনের সুপারিশ করা হয়েছে।তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. ওয়াহিদুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাকলিয়া থানার আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এসব মামলার তদন্ত করছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (পশ্চিম) আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, কনস্টেবল থেকে এসআই পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের সাময়িক বরখাস্ত করার ক্ষমতা পুলিশ কমিশনার বা পুলিশ সুপারের রয়েছে। আর পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি)।
এদিকে সদ্য দায়িত্ব গ্রহণ করা চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেছেন, “এক লাখ ইয়াবা গায়েব হওয়ার পরও কেন এত দিন নিয়মিত মামলা হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান জিরো টলারেন্স।”





