ময়না রিসোর্টকে কেন্দ্র করে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা এলাকায় নির্মাণাধীন ময়না শিশু পার্ক ও রিসোর্টকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতলা ব্রিজের নিচে একতা বাজার খেয়াঘাট সড়কের পাশে অবস্থিত ময়না শিশু পার্ক ও রিসোর্টের নির্মাণকাজ এখনও চলমান রয়েছে। রিসোর্টটির প্রতিষ্ঠাতা মো. আক্তার বিশ্বাসের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এ প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে আরও প্রায় এক থেকে দেড় মাস সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
তবে প্রকল্পটি পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার আগেই এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সম্ভাবনা স্থানীয় গণ্ডি পেরিয়ে দূর-দূরান্তে পরিচিতি লাভ করেছে। বিশেষ করে সাতলার বিখ্যাত লাল শাপলার বিল, মনোরম পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে এলাকাটি ইতোমধ্যে দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে প্রকল্প এলাকায় কয়েকটি কক্ষ নির্মাণ করা হয়েছে, যা মূলত কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীদের অস্থায়ী আবাসনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল এসব কক্ষ ও নির্মাণাধীন রিসোর্টকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।
এ বিষয়ে রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা মো. আক্তার বিশ্বাস বলেন, তিনি উজিরপুর উপজেলার ১ নম্বর সাতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ায় একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নির্মাণাধীন রিসোর্ট সম্পর্কে ভুল তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি দুর্বৃত্তরা তার রিসোর্টে হামলা চালিয়েছে এবং বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকিও দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর মতে, নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে ময়না শিশু পার্ক ও রিসোর্ট এ অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হবে। একই সঙ্গে এটি স্থানীয় পর্যটন শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।





