শীর্ষ সংবাদ
চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি নিয়ে বিরোধ, এনসিপির ২২ নেতার পদত্যাগ|চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের সূচি|'কাঁটা লাগা'র শেফালী কি সত্যিই ইনজেকশনে মারা গেছেন? অবশেষে মুখ খুললেন স্বামী পরাগ|গাজীপুরের আলোচিত পাঁচ খুন: পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার ফোরকানের মরদেহ|পশ্চিমবঙ্গে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই নিষিদ্ধ করলো বিজেপি|লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু|ইরান যুদ্ধ থেকে বেরোতে কি চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প?|হামের চিকিৎসায় বিপর্যস্ত পরিবার, ঋণ ও আয়হীনতায় বাড়ছে দুর্ভোগ|হান্টা ভাইরাস কী, কীভাবে ছড়ায় এবং কীভাবে নিরাপদ থাকবেন|ইস্টার্ন ব্যাংকে নারীদের জন্য বিশেষ ঋণসুবিধা, বাড়ি কিনতে মিলবে ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত|ইরান যুদ্ধবিরতির পর গাজায় হামলা বাড়িয়েছে ইসরায়েল, হামাস পুনর্গঠনের দাবি তেল আবিবের|বিশ্বকাপে এবার ১৪ মুসলিম দেশের অংশগ্রহণ|স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালা সংস্কারে তুলনামূলক চিত্র তৈরির নির্দেশ|ছয় দশকের অপেক্ষার অবসান, অনুমোদন পেল ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প|দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে সোলার প্ল্যান্ট স্থাপনের ঘোষণা|ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ অবকাশ|দুই দিনে সাড়ে ৬ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ|উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ যুবক|অবশেষে ‘জানি না’ বলতে শিখছে এআই, কমতে পারে ভুল তথ্যের ঝুঁকি|ইরানে ‘গোপন হামলা’ চালায় সৌদি আরব, দাবি রয়টার্সের|টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশের দারুণ অগ্রগতি|ভোটার ডেটাবেজ সুরক্ষা ও পদ্মা ব্যারেজসহ একনেকে উঠছে ১৬ প্রকল্প|‘জিয়াউর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক, তবে সেটা বঙ্গবন্ধুর পক্ষে’—কাদের সিদ্দিকী|বট ও ভুয়া আইডি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কে ফাটল ধরানোর চেষ্টা: নেতানিয়াহু|বিয়ের দাওয়াত নিয়ে ড. ইউনূসের সঙ্গে দেখা করলেন সাদিক কায়েম|কষ্ট কমাতে স্পর্শের বিকল্প নেই, নিঃসঙ্গ জীবনে কীভাবে মিলবে মানসিক স্বস্তি|অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এনবিআরে প্রকৃত সংস্কার হয়নি: অর্থমন্ত্রী|নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আর নেই|আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ প্রাথমিক দলে নেই দিবালা, চমক প্রেস্তিয়ান্নি|বিদ্যুতের দাম বাড়াতে পিডিবির নতুন কৌশল, চাপে পড়তে পারেন নিম্নমধ্যবিত্ত গ্রাহকেরা
রাজনীতি

দাপুটে রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ: শেষ জীবনে দলীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা এক অধ্যায়

Sub Editor

২ জুন ২০২৬, ০৭:১৪
দাপুটে রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ: শেষ জীবনে দলীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা এক অধ্যায়

ষাটের দশকের উত্তাল ছাত্ররাজনীতির ভেতর দিয়ে উঠে আসা তোফায়েল আহমেদ ছিলেন উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান নেতা। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই রাজনীতিক স্বাধীন বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতৃত্বে ছিলেন। তবে জীবনের শেষভাগে এসে দলীয় রাজনীতিতে তিনি অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েন।


বেশ কয়েক বছর জনসমক্ষে কম দেখা যেত তাঁকে। অবশেষে সোমবার (১ জুন) ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।


বাংলাদেশের রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদ একটি পরিচিত ও প্রভাবশালী নাম। ছাত্রজীবনে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেন। একই বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করার ঘোষণা দেন তিনি।


১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তোফায়েল আহমেদ। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনীর অন্যতম নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় রাজনৈতিক সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন।


১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় ৩৩ মাস কারাবন্দি থাকার পর মুক্ত হয়ে তিনি দল পুনর্গঠন এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগ্রামে তিনি সামনের সারির নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।


১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তোফায়েল আহমেদ। পরে ২০১৪ সালেও বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে ২০০৮ সালের পর গঠিত প্রথম আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় তিনি স্থান পাননি। ২০১৮ সালের পরও তাঁকে মন্ত্রিসভার বাইরে রাখা হয়।


রাজনৈতিক জীবনের শেষদিকে তাঁর প্রভাব কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। ঘনিষ্ঠজনদের মতে, দলীয় রাজনীতিতে ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ায় তিনি মানসিকভাবে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আশির দশকের শেষদিকে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের দূরত্ব তৈরি হয়। এর পেছনে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ব্যাখ্যা থাকলেও দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এই শীতল সম্পর্ক তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানে প্রভাব ফেলেছিল।


এ ছাড়া এক-এগারোর সময় দলের ভেতরে সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিতি পাওয়াও তাঁর জন্য পরবর্তী সময়ে চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। ওই সময় দলের ভেতরে সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়ায় তিনি এবং আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা সমালোচনার মুখে পড়েন। পরবর্তীতে এই পরিচয় তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও দুর্বল করে তোলে বলে মনে করেন অনেকেই।


দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য থেকে সর্বশেষ উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও নীতিনির্ধারণে তাঁর ভূমিকা ছিল সীমিত। তবু জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন তিনি।


দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যাওয়া তোফায়েল আহমেদের শেষ অধ্যায় তাই হয়ে আছে এক ধরনের নিভৃত ও কোণঠাসা বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।

দাপুটে রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ: শেষ জীবনে দলীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা এক অধ্যায়

দাপুটে রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ: শেষ জীবনে দলীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা এক অধ্যায়

ষাটের দশকের উত্তাল ছাত্ররাজনীতির ভেতর দিয়ে উঠে আসা তোফায়েল আহমেদ ছিলেন উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান নেতা। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই রাজনীতিক স্বাধীন বাংলাদেশে...

সরকারকে সফল করতে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সরকারকে সফল করতে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সামনে অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারকে সফল করতে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ রোববার বিকেলে...

১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ নিয়ে যা বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ

১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ নিয়ে যা বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ

কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের করা অভিযোগের জবাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। কুমিল্লা–৪ (দেবীদ্বার) আসনের এই সংসদ সদস্য দাবি করেছেন, যে অর্থের কথা বলা হচ্ছে, সেটি...

বাংলাদেশে মন্ত্রীত্ব ‘সোনার পাথরের বাটি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

বাংলাদেশে মন্ত্রীত্ব ‘সোনার পাথরের বাটি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ক্ষমতাসীনদের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে মন্ত্রীত্ব যেন ‘সোনার পাথরের বাটি’র মতো—যেখানে...

Bangla Star

সর্বশেষ সংবাদ ও বিনোদন

বিভাগসমূহ

জাতীয়রাজনীতিখেলাবিনোদনজীবনযাপনপ্রযুক্তিঅর্থনীতিসারাদেশঅপরাধআন্তর্জাতিক