পাউন্ড ও ইউরোর দর বৃদ্ধি, ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল

ঢাকা, ১৯ জুলাই: দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে রোববার পাউন্ড ও ইউরোর বিনিময় হার বেড়েছে, তবে মার্কিন ডলারের দর তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় এই বিনিময় হার পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
এদিন ব্যাংকভিত্তিক লেনদেনে মার্কিন ডলারের ক্রয়মূল্য ১২২ টাকা ৩৫ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সময়ে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয়মূল্য ১৬৩ টাকা ৭৭ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৮ টাকা ১৮ পয়সা পর্যন্ত উঠেছে। ইউরোর ক্রয়মূল্য ১৩৯ টাকা ২৬ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪২ টাকা ৯৯ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।
এছাড়া অন্যান্য মুদ্রার মধ্যে জাপানি ইয়েনের ক্রয়মূল্য ০.৭৫ টাকা ও বিক্রয়মূল্য ০.৭৭ টাকা, অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্রয়মূল্য ৮৫ টাকা ৪০ পয়সা ও বিক্রয়মূল্য ৮৬ টাকা ৪৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। হংকং ডলার, সিঙ্গাপুর ডলার, কানাডিয়ান ডলার, ভারতীয় রুপি, সৌদি রিয়েল এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের বিনিময় হারেও সামান্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
ব্যাংকিং সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা-জোগানের ওপর ভিত্তি করে এসব বিনিময় হার নির্ধারিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী কর্মী বিদেশে কর্মরত থাকায় তাদের পাঠানো অর্থ বা রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার দর পরিবর্তন সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে প্রবাসী আয় এবং আমদানি ব্যয়ের ওপর।
সূত্র: এনসিসি ব্যাংক





