১০ গোলের থ্রিলারে ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় স্থান ইংল্যান্ডের

মায়ামি, ২০২৬—বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ১০ গোলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ফ্রান্সকে ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে ইংল্যান্ড। ম্যাচটিতে গোলবন্যার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে নতুন রেকর্ড।
দুই দলই মূলত শিরোপার লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বকাপে এলেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে হয় তাদের। ম্যাচের আগে দুই কোচই জানিয়েছিলেন, এ ধরনের ম্যাচ খেলতে আগ্রহ কম থাকে। ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড হ্যারি কেইনকেও এদিন বেঞ্চে রাখা হয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে ডেক্লান রাইসের দূরপাল্লার শটে এগিয়ে যায় দলটি। এরপর ১৮ মিনিটে এজেরি কনসা হেডে ব্যবধান বাড়ান। ৩৭ ও ৪৫+১ মিনিটে বুকায়ো সাকার জোড়া গোলে প্রথমার্ধেই ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ফ্রান্স। ৪৮ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পে গোল করে ব্যবধান কমান। ৫৪ মিনিটে বারকোলার গোলে স্কোরলাইন হয় ৪-২। এরপর ৬৬ মিনিটে এমবাপ্পে আবারও গোল করে ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা জাগান এবং বিশ্বকাপে নিজের মোট গোলসংখ্যা বাড়ান।
তবে ৮৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সাকার তৃতীয় গোল ইংল্যান্ডকে স্বস্তি এনে দেয় এবং তিনি পূর্ণ করেন নিজের হ্যাটট্রিক। যোগ করা সময়ে উসমান দেম্বেলে ও জুড বেলিংহাম উভয় দলকে আরও একটি করে গোল এনে দেন, যার ফলে ম্যাচের চূড়ান্ত ফল দাঁড়ায় ৬-৪।
এই জয়ের মাধ্যমে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে গত ছয় দশকের মধ্যে তাদের সেরা সাফল্য অর্জন করে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশমের জন্য এটি বিদায়ী ম্যাচ হলেও দলটি জয় দিয়ে শেষ করতে পারেনি।
উল্লেখ্য, এই ম্যাচটি বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী পর্বে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ড গড়েছে। এর আগে ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্স ও পশ্চিম জার্মানির ম্যাচে মোট ৯টি গোল হয়েছিল (৬-৩)।





