টানা চার বছর দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানিকারক ‘সিলন’

গুণগত মান, স্বাদের ধারাবাহিকতা এবং আধুনিক উদ্ভাবনের সমন্বয়ে দেশের চা বাজারে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে সিলন চা। শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের চা শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে আসছে ব্র্যান্ডটি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, টানা চার বছর ধরে দেশের সর্বোচ্চ ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানিকারকের অবস্থান ধরে রেখেছে সিলন। দেশের মোট ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানির প্রায় অর্ধেকের সমপরিমাণ রপ্তানি করেছে ব্র্যান্ডটি, যা আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি চায়ের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আবুল খায়ের গ্রুপ দেশের মোট ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানির ৪২ শতাংশ এককভাবে সম্পন্ন করেছে। এ খাত থেকে প্রতিষ্ঠানটির আয় হয়েছে ১৪ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।
রপ্তানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফিনলে টি। প্রতিষ্ঠানটি মোট রপ্তানির ২৬ শতাংশ অবদান রেখে ৯ লাখ ১৩ হাজার ডলার আয় করেছে।
তৃতীয় স্থানে থাকা ইস্পাহানি গ্রুপ দেশের মোট চা রপ্তানির ১১ শতাংশ সম্পন্ন করেছে। এ খাত থেকে তাদের আয় হয়েছে ৩ লাখ ৮১ হাজার মার্কিন ডলার।
রপ্তানির তালিকায় পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে সিটি গ্রুপ এবং ভিভিডভেঞ্চারস। এছাড়াও দেশের আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি চা রপ্তানি করছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্র্যান্ডেড চায়ের চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ছে। মানসম্মত উৎপাদন, আধুনিক প্যাকেজিং এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উন্নয়নের কারণে দেশের চা রপ্তানি খাত নতুন সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
চা শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, রপ্তানি বাজারে ধারাবাহিক সাফল্য বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক পণ্যের বৈদেশিক বাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে ব্র্যান্ডেড চায়ের ক্ষেত্রে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি করছে।






