রোজারিওর সাধারণ এক বাড়ি থেকে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে মেসি

রোজারিও, আর্জেন্টিনা | আর্জেন্টিনার সান্তা ফে প্রদেশের রোজারিও শহরের লাভালেখা ৫২৫ নম্বর একটি সাধারণ বাড়িতে জন্ম নেওয়া লিওনেল আন্দ্রেস মেসি আজ বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন জন্মগ্রহণ করা এই ফুটবলার বর্তমানে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেসির জন্মের এক বছর আগে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়ে ফাইনালে ওঠে দলটি। ওই ম্যাচে মেসি দুটি অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
মেসির জন্মভিটা পরিদর্শনে গিয়ে এক প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দা পাবলো। তিনি জানান, শৈশব থেকেই মেসিকে খেলতে দেখেছেন তিনি। পাবলো বলেন, “আমি লিওকে বড় হতে দেখেছি।”
পাবলো আরও জানান, তিনি মেসির বড় ভাই রদ্রিগোর সঙ্গে একই স্কুলে পড়েছেন এবং মাঝের ভাই মাতিয়াসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। বর্তমানে তিনি ‘লিওনেস দে রোজারিও’ ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত, যা মেসির পরিবার প্রতিষ্ঠা করেছে।
মেসির বাড়ির কাছেই অবস্থিত ‘লা বাজাদা’ নামে একটি ছোট মাঠ, যেখানে শৈশবে তার ফুটবল প্রতিভার বিকাশ ঘটে। পাবলো স্মৃতিচারণ করে বলেন, “ছোটবেলা থেকেই বোঝা যেত, সে অন্যদের চেয়ে আলাদা ছিল।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা তখন ১৫ বছরের ছিলাম, আর লিওর বয়স ছিল সাত। দল ভাগ করার সময় আমরা তাকে নিজেদের দলে নিতে নিয়ম ভাঙতাম।”
মেসির লড়াকু মানসিকতার কথাও উল্লেখ করেন পাবলো। তার ভাষায়, “ফাউল করে ফেলে দিলেও সে পড়তে পড়তেই আবার বল দখল করত।”
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মেসি একজন কিংবদন্তি ফুটবলার হিসেবে পরিচিত হলেও, রোজারিওর ওই এলাকায় তিনি এখনও স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ‘লিও’ নামেই। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার শৈশবের স্মৃতি এখনও ওই পাড়ায় অমলিন।





