শীর্ষ সংবাদ
সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার|ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বদলে যাচ্ছে রাশিয়ার অর্থনীতি, বাড়ছে নগদ লেনদেন|আন্ডাররাইটিং ব্যবসায় আয় বাড়ায় ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের মুনাফায় ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি|জুলাই-আগস্টে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপি: খায়রুল কবির খোকন|ঝড়ের শঙ্কা কেটে যাওয়ায় চার সমুদ্রবন্দরের ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রত্যাহার|পরিচ্ছন্ন শহর গঠনে নাগরিক অংশগ্রহণ অপরিহার্য: মন্ত্রী|মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র, দুই দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা|নতুন অর্থবছরে ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য, রপ্তানিতে বড় চ্যালেঞ্জ|দেশের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়া ও বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সংকেত|‘হাজারবার জুলাই ব্যবসায়ী হব, তবু টেন্ডারবাজ নয়’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী|মধ্যপ্রাচ্যে হামলার পর কুয়েত ও জর্ডানকে ইরানের বার্তা|সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা|দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে, আজ ভরিতে কত?|‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যে সমালোচনার মুখে সংসদে দুঃখ প্রকাশ শিক্ষামন্ত্রীর|বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, ব্যারেলপ্রতি ৮৪ ডলার পার|পরাজিত শক্তির আস্ফালন জুলাইয়ের ঐক্যকে আরও দৃঢ় করবে: মঞ্জু|ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’, দূষিত বায়ুর তালিকায় বিশ্বে দ্বিতীয়|ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধ শুরু হয়েছে, কংগ্রেসে ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা|অভিষেকের পরই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ, তবু কেন খেলেননি মেসি?|মধ্যপ্রাচ্যে একযোগে চার মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, অবকাঠামোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি|নতুন বেতন কাঠামোর প্রভাব জানতে চেয়েছে আইএমএফ|ফ্যাসিবাদ আমলে নিপীড়িত মানুষের পাশে আইনি সহায়তায় ছিলেন জমির উদ্দিন সরকার|গৌরনদীতে খালপাড়ে সবুজায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান|যে সম্মান আমি হারিয়েছি, রাষ্ট্র কি তার দায় নেবে? প্রশ্ন পরীমণির|দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ২২ ক্যারেট ছাড়াল ২ লাখ ২৪ হাজার টাকা|উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসঙ্গে হাতে হাত রেখে চলবে: পরিবেশমন্ত্রী|ইরানের হামলায় নিহত হলে কী করতে হবে মার্কিন বাহিনীকে, জানালেন ট্রাম্প|ঢাকার সব আসনের জয় ‘মেটিকুলাস ডিজাইনে’ কেড়ে নেওয়া হয়েছে: নূরুল ইসলাম বুলবুল|খামেনির দাফনের পর ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ|বেড়েছে সোনা ও রুপার দাম
আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধ থেকে বেরোতে কি চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প?

Sub Editor

১৪ মে ২০২৬, ০৭:২৪
ইরান যুদ্ধ থেকে বেরোতে কি চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প?

দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো চীন সফরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সফরকে ঘিরে আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের জটিল সমীকরণ। প্রতিযোগিতা ও পারস্পরিক নির্ভরতার এই সম্পর্ক এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে।


বাণিজ্য, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও তাইওয়ান—বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে নানা বিষয় থাকলেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ইরান সংকট। কারণ, দীর্ঘায়িত এই যুদ্ধ এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে বড় চাপ তৈরি করছে।


যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছেন ট্রাম্প

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন এখন ইরান সংঘাত দ্রুত শেষ করার পথ খুঁজছে। দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ মার্কিন ভোটারদের মধ্যে ক্লান্তি তৈরি করেছে। সামনে মধ্যবর্তী নির্বাচন থাকায় নতুন করে যুদ্ধের চাপ নিতে সাধারণ মানুষও আগ্রহী নয়।


প্রতিরক্ষা খাতের কিছু প্রতিষ্ঠান লাভবান হলেও সাধারণ মার্কিন নাগরিকের জীবনে তার ইতিবাচক প্রভাব নেই। ফলে ট্রাম্প এমন একটি রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইছেন, যাতে তিনি শুধু যুদ্ধ শুরু করেন না, প্রয়োজনে তা শেষও করতে পারেন—এমন ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা পায়।


কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে চীন

এই বাস্তবতায় চীনের ভূমিকা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ইরানের সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল। চীন সাধারণত প্রকাশ্যে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করে না; বরং পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখে।


ফলে তেহরানের কাছে চীনের গ্রহণযোগ্যতা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক বেশি। ধারণা করা হচ্ছে, এই প্রভাব কাজে লাগিয়ে ইরানের ওপর পরোক্ষ চাপ তৈরিতে চীনের সহায়তা চাইতে পারে ওয়াশিংটন।


তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, চীন কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশনায় কাজ করবে না। তারা চাইলে আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে পারে, কিন্তু তা হবে নিজেদের কৌশলগত স্বার্থ ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার বিবেচনায়।


ট্রাম্পের সফর কি বাস্তবতার স্বীকৃতি?

বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ট্রাম্পের এই সফর বিশ্ব রাজনীতির পরিবর্তিত বাস্তবতারও প্রতিফলন। যে যুক্তরাষ্ট্র এত দিন বৈশ্বিক নেতৃত্বের একক দাবিদার ছিল, এখন গুরুত্বপূর্ণ সংকট মোকাবিলায় তাকে চীনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সহযোগিতার দিকেও তাকাতে হচ্ছে।


ইরান যুদ্ধের পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিষয়েও চীনের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তি, ড্রোন ও অস্ত্র তৈরিতে প্রয়োজনীয় বিরল খনিজ বা ‘রেয়ার আর্থ’ সরবরাহে চীনের আধিপত্য রয়েছে। ফলে এ ক্ষেত্রেও বেইজিংকে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ কম।


একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র চাইছে, চীন আবারও বড় পরিসরে মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানি করুক। সয়াবিন, ভুট্টা ও শূকরের মাংসের মতো পণ্যের বাজার পুনরুদ্ধারে ওয়াশিংটনের আগ্রহ বাড়ছে।


বাণিজ্যে দ্বৈত অবস্থান

তবে বাণিজ্য ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থানে স্পষ্ট টানাপোড়েন রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র একদিকে চীনের বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানোর দাবি তুলছে, অন্যদিকে নিজেদের বাজারে চীনা পণ্য ও বিনিয়োগের ওপর নানা সীমাবদ্ধতা বজায় রেখেছে।


চীনও পাল্টা বার্তা দিচ্ছে—যদি সত্যিই মুক্ত বাণিজ্যে বিশ্বাস থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের বাজার আরও উন্মুক্ত করতে হবে। চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবিও তুলতে পারে বেইজিং।


তাইওয়ান প্রশ্নে বাড়তে পারে চাপ

এই বৈঠকে তাইওয়ান প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে এবং যেকোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী অবস্থানের বিরোধিতা করছে।


বিশ্লেষকদের ধারণা, বেইজিং চাইবে ট্রাম্প প্রকাশ্যে জানান যে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে না।


তবে ট্রাম্পের জন্য এমন অবস্থান নেওয়া সহজ হবে না। মার্কিন কংগ্রেস ও প্রতিরক্ষা মহলের বিরোধিতার মুখে নির্বাচনের আগে এ ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।


পরিবর্তিত বিশ্ব ব্যবস্থার ইঙ্গিত

সব মিলিয়ে এই সফর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পরিবর্তিত শক্তির ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্ব এখন আর একক পরাশক্তিনির্ভর নয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব আগের তুলনায় কমলেও চীনও সরাসরি একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথে হাঁটছে না।


বরং বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় বড় শক্তিগুলোকে পারস্পরিক সমঝোতার পথেই এগোতে হচ্ছে। চীন নিজেকে এমন একটি শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে, যে বিশ্বব্যবস্থার অংশ হতে চায়—তার নিয়ন্ত্রক নয়।


এ কারণেই বেইজিং মুক্ত বাণিজ্য ও সহযোগিতার বার্তা দিচ্ছে, যখন ওয়াশিংটন শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞার কৌশল অব্যাহত রেখেছে।


তাৎক্ষণিক সমাধান নয়, তবু গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরেই সব সংকটের সমাধান হবে—এমন আশা বাস্তবসম্মত নয়। বাণিজ্য বিরোধ, তাইওয়ান ইস্যু কিংবা ইরান যুদ্ধ—কোনোটিই তাৎক্ষণিকভাবে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।


তবে বৈঠকটির গুরুত্ব অন্য জায়গায়। এটি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, বর্তমান বিশ্বে কোনো দেশ একা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না—এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও নয়।


এখন দেখার বিষয়, নিজেদের কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা পেছনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন অন্তত বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতার বাস্তবতা কতটা উপলব্ধি করতে পারে।

নিট প্রশ্নফাঁস: মোদির আশ্বাসে অনড় নয় আন্দোলনকারীরা, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে চাপ

নিট প্রশ্নফাঁস: মোদির আশ্বাসে অনড় নয় আন্দোলনকারীরা, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে চাপ

নয়াদিল্লি, বৃহস্পতিবার: ভারতের নিট (NEET) মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দ্রুত ও কঠোর বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এই আশ্বাসে সন্তুষ্ট নয়...

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতের আমন্ত্রণ

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতের আমন্ত্রণ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার: আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অতিথি হিসেবে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত সরকার।আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র...

আলোচনার প্রস্তাব নাকচ, ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপির

আলোচনার প্রস্তাব নাকচ, ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপির

নয়াদিল্লি, বৃহস্পতিবার: ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব...

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের ঘোষণা মোদীর, পাল্টা সমালোচনায় রাহুল

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের ঘোষণা মোদীর, পাল্টা সমালোচনায় রাহুল

নয়াদিল্লি, ২৩ জুলাইভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে তীব্র ছাত্র বিক্ষোভ ও সংসদে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই দ্রুত বিচার নিশ্চিতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে তার...

Bangla Star

সর্বশেষ সংবাদ ও বিনোদন

বিভাগসমূহ

জাতীয়রাজনীতিখেলাবিনোদনজীবনযাপনপ্রযুক্তিঅর্থনীতিসারাদেশঅপরাধআন্তর্জাতিক