বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে যুবদলের পদবঞ্চিত নেতাদের অবস্থান কর্মসূচি

জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবঘোষিত কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন পদবঞ্চিত নেতারা। একই সঙ্গে তারা অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও পদযাত্রা পালনকালে এসব দাবি তুলে ধরেন তারা। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সংগঠনের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করা এবং রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হওয়া অনেক নেতাকে মূল্যায়ন না করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক বিবেচনায় কিছু ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে। এতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
তাদের ভাষ্য, যুবদলের সাংগঠনিক শক্তি আরও সুসংহত করতে হলে যোগ্যতা, ত্যাগ ও রাজনৈতিক অবদানের ভিত্তিতে পদায়ন নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করে সাংগঠনিক ভারসাম্য বজায় রাখার আহ্বান জানান তারা। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান না পাওয়া নেতাদের একজন রফিকুল ইসলাম বলেন, যুবদলই ভবিষ্যতে বিএনপির নেতৃত্ব বিকাশের অন্যতম প্রধান প্ল্যাটফর্ম। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হলে সংগঠন আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হয়ে উঠবে।
ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন তারা। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অবদান ও ত্যাগের দিক থেকে পিছিয়ে না থাকলেও কমিটিতে তাদের জায়গা হয়নি। এ বিষয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করেন তিনি। আন্দোলনরত নেতারা জানান, যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক পদায়নের দাবিতে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন দেয় বিএনপি। এর আগে ২০২৪ সালের ৯ জুলাই আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে যুবদলের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।





