বটিয়াঘাটায় খাদ্য নিয়ন্ত্রকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি

খুলনা জেলা প্রতিনিধি: ফাহিম ইসলাম
খুলনার বটিয়াঘাটায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অনিন্দ্য কুমার দাসের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদের সামনে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থান্দার কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শোয়েব শাত-ঈল ইভান।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনরত একজন কর্মকর্তার ওপর হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। এ ধরনের ঘটনা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দায়িত্ব পালনের সময় কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থান্দার কামরুজ্জামান বলেন, “একজন সরকারি কর্মকর্তার ওপর এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।” তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
মানববন্ধনে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একাত্মতা প্রকাশ করেন। তারা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অনিন্দ্য কুমার দাসের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু বক্কার সিদ্দিক, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তরিকুল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা নিগার সুলতান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবুবকর মোল্লা, উপজেলা প্রকৌশলী গৌতম কুমার মণ্ডল, সমবায় কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন, আইসিটি কর্মকর্তা আসলাম ফেরদাউস, আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা মিলন কুমার দাস, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রব, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা রুনা আক্তার, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সুলতানা নাসরিন, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নাদিরা পারভিন, খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আমিনুদ্দিনসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।





