শিল্পকলা একাডেমিতে রুনা লায়লার সম্মাননা ও একক সংগীতানুষ্ঠান ২৪ জুলাই

ঢাকা,১৬ জুলাই ২০২৬: উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লাকে সম্মাননা প্রদান এবং তাঁর একক সংগীতানুষ্ঠান আগামী ২৪ জুলাই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়।
এর আগে অনুষ্ঠানটি ১৮ জুলাই আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও তা পরিবর্তন করে ২৪ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে। আয়োজক সূত্র জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে বন্যার্তদের সহায়তার উদ্দেশ্যে গান পরিবেশন করবেন রুনা লায়লা। অনুষ্ঠানের টিকিট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০০ টাকা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি এবং তথ্য ও সম্প্রচার ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ডা. জাহেদ উর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।
স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন) এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
একক সংগীতানুষ্ঠানে রুনা লায়লা তাঁর জনপ্রিয় ও বিখ্যাত গান পরিবেশন করবেন। দীর্ঘ ছয় দশকের সংগীতজীবনে তিনি বাংলা, উর্দু, হিন্দি ও পাঞ্জাবিসহ ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন।
রুনা লায়লা কিশোরী বয়সে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গানের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৬৫ সালে ‘জুগনু’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তাঁর প্লেব্যাক যাত্রা শুরু হয়। পরে বাংলা চলচ্চিত্রে ‘স্বরলিপি’ সিনেমায় গান গেয়ে তিনি পরিচিতি পান। অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুলসংখ্যক গান রেকর্ড করে তিনি সংগীতাঙ্গনে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে এসে তিনি দেশীয় সংগীতাঙ্গনে সক্রিয় হন এবং ভারতসহ বিভিন্ন দেশে কনসার্টে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। বিশেষ করে ‘দমাদম মাস্ত কলন্দার’ গানটি তাঁকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয়।
সংগীতে অবদানের জন্য তিনি আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা নারী কণ্ঠশিল্পীর স্বীকৃতি পেয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করেছে। এছাড়া ভারত ও পাকিস্তান থেকেও বিভিন্ন সম্মাননা অর্জন করেছেন তিনি।
গানের পাশাপাশি চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘শিল্পী’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ও করেছেন রুনা লায়লা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি এবং তথ্য ও সম্প্রচার ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ডা. জাহেদ উর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।
স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন) এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
একক সংগীতানুষ্ঠানে রুনা লায়লা তাঁর জনপ্রিয় ও বিখ্যাত গান পরিবেশন করবেন। দীর্ঘ ছয় দশকের সংগীতজীবনে তিনি বাংলা, উর্দু, হিন্দি ও পাঞ্জাবিসহ ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন।
রুনা লায়লা কিশোরী বয়সে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গানের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৬৫ সালে ‘জুগনু’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তাঁর প্লেব্যাক যাত্রা শুরু হয়। পরে বাংলা চলচ্চিত্রে ‘স্বরলিপি’ সিনেমায় গান গেয়ে তিনি পরিচিতি পান। অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুলসংখ্যক গান রেকর্ড করে তিনি সংগীতাঙ্গনে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে এসে তিনি দেশীয় সংগীতাঙ্গনে সক্রিয় হন এবং ভারতসহ বিভিন্ন দেশে কনসার্টে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। বিশেষ করে ‘দমাদম মাস্ত কলন্দার’ গানটি তাঁকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয়।
সংগীতে অবদানের জন্য তিনি আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা নারী কণ্ঠশিল্পীর স্বীকৃতি পেয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করেছে। এছাড়া ভারত ও পাকিস্তান থেকেও বিভিন্ন সম্মাননা অর্জন করেছেন তিনি।
গানের পাশাপাশি চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘শিল্পী’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ও করেছেন রুনা লায়লা।





