মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধায় আগাম ঈদ উদযাপন, এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া!

মোঃতৌহিদুর রহমান তুহিন
গাইবান্ধা প্রতিনিধি,
সৌদিআরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উদযাপন করেছে কয়েকটি গ্রামের ২১ জন মুসল্লি। দেশের প্রচলিত নিয়মানুসারে এলাকায় একদিন আগেই ঈদ পালন করায় স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা সমালোচনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
আজ বুধবার ( ২৭ মে) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে জেলার সহিহ হাদিস সম্প্রদায়ের মুসল্লিরা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের মধ্যপাড়ার ব্যক্তিমালিকানাধীন একটি ভবনের ছাদে এ ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদের নামাজে ইমামতি ও খুৎবা পাঠ করেন হাফেজ রেজওয়ান ইসলাম আকন্দ।
আজ সকাল থেকে মষুলধারে বৃষ্টিরমধ্যেই গাইবান্ধা সদর,পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হেঁটে, বাইসাইকেল , মোটরসাইকেল নিয়ে তালুক ঘোড়াবান্ধা মধ্যপাড়ায় জড়ো হন। পরে তারা একটি ভবনের ছাদে পবিত্র ঈদ-উল-আজহার নামাজ আদায় করেন।
ঈদের জামাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শিশুসহ ২০-২১ জন মুসুল্লি ঈদের নামাজে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসুল্লিরা যথা নিয়মে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেন।
নামাজে আসা মুসুল্লিরা বলেন সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ পড়তেই আজ সকালে এখানে আসছি। সবাই মিলে ঈদ-উল-আজহার নামাজ আদায় করলাম। এভাবেই ১৬ বছর যাবত ঈদের নামাজ পড়ে আসছি।
পলাশবাড়ী উপজেলার তালুক ঘোড়াবান্ধা গ্রামের ইউনুস সরকার (৬৫) বলেন, আমাদের গ্রামের ৫-৬টি পরিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছি। নামাজ শেষে দুটি পশু কোরবানি করা হবে।





