বিশ্বকাপে এবার ১৪ মুসলিম দেশের অংশগ্রহণ

আসন্ন ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে মোট ১৪টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি মুসলিম দেশের অংশগ্রহণ হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
বিশ্বকাপের নতুন ৪৮ দলের ফরম্যাট চালুর ফলে অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা বাড়ায় মুসলিম দেশগুলোর উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে যেখানে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সংখ্যা ছিল ৬টি, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪-তে। শতকরা হিসেবে যা মোট অংশগ্রহণকারী দলের প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি।
মহাদেশভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি মুসলিম দেশ এসেছে এশিয়া ও আফ্রিকা থেকে। দুই মহাদেশ থেকেই অংশ নিচ্ছে ছয়টি করে দেশ।
এশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করছে সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান, ইরান, ইরাক ও উজবেকিস্তান। অন্যদিকে আফ্রিকা অঞ্চল থেকে খেলবে নাইজেরিয়া, আলজেরিয়া, মরক্কো, তিউনিসিয়া, মিশর ও সেনেগাল।
ইউরোপ থেকে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে তুরস্ক ও বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। তবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে এবার কোনো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ অংশ নিচ্ছে না।
বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া কয়েকটি দেশের জন্য এবারের আসর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে তুরস্ক ও ইরাক। ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে তুরস্ক। আর চার দশক পর চূড়ান্ত পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে ইরাক।
এদিকে মরক্কোকে ঘিরেও বাড়ছে প্রত্যাশা। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়েছিল উত্তর আফ্রিকার দেশটি। আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে শেষ চারে জায়গা করে নিয়ে বিশ্ব ফুটবলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে মরক্কো।
বিশ্লেষকদের মতে, মুসলিম দেশগুলোর এই বাড়তি উপস্থিতি বিশ্ব ফুটবলে নতুন প্রতিযোগিতার আবহ তৈরি করবে। একই সঙ্গে এশিয়া ও আফ্রিকার ফুটবলের ক্রমোন্নতির প্রতিফলনও দেখা যাচ্ছে এবারের বিশ্বকাপের দল তালিকায়।





