পাটগ্রামের চার যুবককে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে রাশিয়ায় পাঠানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

শাহ আনিস আরাফাত রাজিন
লালমনিরহাট প্রতিনিধি
পাটগ্রামের ৪ জন বাংলাদেশি যুবককে কাজের ভিসায় উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে বিক্রি করে দেওয়ার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে ভুক্তিভোগী পরিবারগুলো।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১২ টার দিকে প্রেসক্লাব পাটগ্রামে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তিভোগী পরিবারগুলোর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাজমুল আলম সৌমিক এর বড় বোন আইরিন আক্রার।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার ছোট ভাই নাজমুল আলমসহ আল মামুন, আল আমিন ও মেহেদী হাসানের পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই, কয়েকদিন পূর্বে বিবাদী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম পাটগ্রাম উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি ইউনুস আলী, জামায়াতে ইসলাম পাটগ্রাম পৌর শাখার সভাপতি সোহেল রানা এবং সোহেল রানার দোকানের কর্মচারী মাহিন এই তিন ব্যক্তি বিদেশে চাকরির দেওয়ার কথা বলে প্রতারণা করে আমার ভাইসহ চার জনের কাছে ৩৬,০০০০০ (ছত্রিশ লক্ষ) টাকা আত্মসাৎ করে। পরবর্তীতে আমার ছোট ভাইসহ আরো তিন জন সহজ সরল মনে বিশ্বাসে প্রতারকের প্রস্তাবে রাজি হয়ে গত ০৭/০৫/২০২৬ তারিখে আমার ভাইসহ চার জনকে ফ্লাইটে করে কাজের উদ্দেশ্যে সূদূর রাশিয়া শহরে পাঠায়। সেখানে অবস্থান করার পর প্রতারক ইউনুস, মাহিন ও রানার পরামর্শে ঐ দেশের দালাল চক্রের সদস্যগণ বাংলাদেশীদের ভিসাসহ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র ছিনিয়ে নিয়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর নিকট বিক্রি করে দেয়, বর্তমানে বাংলাদেশীরা রাশিয়ার ইউক্রেনে দখলকৃত স্থানে সেনাবাহিনীর জিম্মায় রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন,আমার ভাইসহ সংঙ্গীয় চার জন সুদূর রাশিয়ায় ঝুকিপূর্ণ ও মর্মান্তিক অবস্থায় আছে তারা প্রত্যকেই সহজ সরল ও নিরীহ শান্তিপ্রিয় মানুষ। প্রতারকগণ বিদেশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন প্রকার লোভ-লালসা দিয়ে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করেছে , তাই তাদের আইনের আওতায় এনে প্রত্যককে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলনের জন্য আবেদন করছি।
অভিযোগের বিষয়ে ইউনুস আলী সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করে নি।





