কুয়েতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত ৫ মার্কিনি

কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় অন্তত পাঁচজন মার্কিন নাগরিক আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর দুটি অত্যাধুনিক ও ব্যয়বহুল ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে।
শনিবার সংঘটিত এ ঘটনার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ–এর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের নিক্ষেপ করা ‘ফাতেহ-১১০’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে প্রতিহত করে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রটির ধ্বংসাবশেষ বিমানঘাঁটির ভেতরে পড়ে গেলে সেখানে অবস্থানরত মার্কিন কর্মীরা আহত হন এবং ড্রোন দুটির ক্ষতি হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আহত পাঁচজনই মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্য। তাদের মধ্যে কয়েকজন সক্রিয় দায়িত্বে থাকা সেনাসদস্য রয়েছেন।
এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ধ্বংস হওয়া একটি ড্রোনের মূল্য প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার, আরেকটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।
পেন্টাগনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলমান উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত ১৪ জন মার্কিন নাগরিক নিহত এবং ৪০৯ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে এপ্রিল থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মাঝেমধ্যেই হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটছে। এরই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ এই হামলার ঘটনা ঘটল।
ঘটনার আগের দিন, ২৯ মে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলমান পরিস্থিতি নিয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে প্রস্তুত বলে জানান। তবে হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, সেদিন একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হলেও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।





