অভিষেকের পরই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ, তবু কেন খেলেননি মেসি?

দুই দশকেরও বেশি সময় পর অবশেষে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এই প্রথমবার থ্রি লায়নদের বিপক্ষে মাঠে নামার সুযোগ পাচ্ছেন আর্জেন্টাইন এই তারকা।
তবে অবাক করার মতো বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার সুযোগ এসেছিল মেসির সামনে। ২০০৫ সালের আগস্টে হাঙ্গেরির বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে জাতীয় দলে অভিষেক হয় তার। এরপর একই বছরের নভেম্বরে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যে একটি প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সেই ম্যাচে ছিলেন না মেসি।
এর পেছনে ছিল লাল কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞা। হাঙ্গেরির বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র ৪৩ সেকেন্ড পরই প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে কনুই দিয়ে আঘাত করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন তিনি। ফলে পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে পারেননি।
সেই ম্যাচে মাইকেল ওয়েনের জোড়া গোলে ৩-২ ব্যবধানে জয় পায় ইংল্যান্ড।
অবশেষে প্রায় ২১ বছর পর সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। আসন্ন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা, যেখানে প্রথমবারের মতো থ্রি লায়নদের বিপক্ষে খেলতে নামবেন মেসি। এটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ সেমিফাইনালও।
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। ১৯৬২ সালে প্রথম দেখায় এবং ১৯৬৬ সালে শিরোপা জয়ের পথে আর্জেন্টিনাকে হারায় ইংল্যান্ড। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘শতাব্দীর সেরা গোল’-এর মাধ্যমে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা।
১৯৯৮ সালে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ডের ম্যাচে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নেয় ইংল্যান্ড। পরে ২০০২ সালে গ্রুপ পর্বে বেকহ্যামের পেনাল্টি গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়ে প্রতিশোধ নেয় ইংলিশরা। এরপর ২০০৫ সালের পর এই দুই দল আর আন্তর্জাতিক ফুটবলে মুখোমুখি হয়নি।





