স্মার্ট ওয়াচে স্বাস্থ্য নজরদারি: সুবিধা আছে, তবে নির্ভরতায় সতর্কতা প্রয়োজন

সুস্থতা বজায় রাখতে স্মার্ট ওয়াচসহ গায়ে পরিধানযোগ্য ডিভাইসের ব্যবহার বাড়ছে। এসব ডিভাইস দৈনন্দিন শারীরিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সহায়ক হলেও প্রাপ্ত তথ্যের নির্ভুলতা নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্মার্ট ওয়াচের মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী সারা দিনে কত ক্যালরি খরচ করেছেন, কত পদক্ষেপ নিয়েছেন বা ব্যায়ামের মাত্রা কতটা—এসব তথ্য জানা সম্ভব। এর ফলে ধীরে ধীরে শারীরিক কার্যক্রম বাড়াতে উৎসাহ পাওয়া যায় এবং নিজের ফিটনেস সম্পর্কে ধারণা গড়ে ওঠে। ডিভাইসটি স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযুক্ত করে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণও করা যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ডিভাইস থেকে পাওয়া তথ্যে কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষ করে হৃদ্রোগের ঝুঁকি থাকলে ব্যায়ামের সময় হৃৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে কি না, তা বোঝার ক্ষেত্রেও এই ডিভাইস সহায়ক হতে পারে।
শারীরিক সুস্থতার জন্য প্রতিদিন ১০ হাজার পদক্ষেপ না হলেও ৪ থেকে ৭ হাজার কদম হাঁটার লক্ষ্য নির্ধারণ করা যেতে পারে। স্মার্ট ওয়াচ থেকে পদক্ষেপের সংখ্যা, অতিক্রান্ত দূরত্ব এবং গতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। পাশাপাশি ব্যায়ামের সময় কত ক্যালরি খরচ হচ্ছে, সেটিও নির্ণয় করা সম্ভব, যদি ব্যবহারকারী নিজের ওজন, লিঙ্গসহ প্রয়োজনীয় তথ্য ডিভাইসে সংযুক্ত করেন।
তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, স্মার্ট ওয়াচের তথ্য শতভাগ নির্ভুল ধরে নেওয়া ঠিক নয়। তাই স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এসব ডিভাইসের তথ্যের পাশাপাশি চিকিৎসা–পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।





