প্রথম সিনেমা পরিচালনায় নওশাবা, গল্পে প্রকৃতি ও মানুষের জীবন

অভিনয়ের পাশাপাশি মঞ্চনির্দেশনায় অভিজ্ঞ কাজী নওশাবা আহমেদ এবার পা রাখছেন চলচ্চিত্র পরিচালনায়। তার নির্মিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার নাম ‘সোমেশ্বরী’। বিশেষত্ব হলো, পরিচালনার পাশাপাশি এই সিনেমায় অভিনয়ও করেছেন তিনি।
সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে সোমেশ্বরী নদীকে ঘিরে গড়ে ওঠা জনপদের জীবন, প্রকৃতি ও মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে। সম্প্রতি সুনামগঞ্জের মধ্যনগর বাজার ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সিনেমাটির দৃশ্যধারণ শেষ হয়েছে।
নির্মাণে নওশাবার সঙ্গে কাজ করেছেন হাসান, আপন, লতাসহ আরও কয়েকজন সহকর্মী। স্থানীয় বাস্তবতা, মানুষের জীবনযাপন এবং প্রকৃতির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই এগিয়েছে সিনেমার কাজ।
২০১৮ সাল থেকে মঞ্চে নির্দেশনা দিয়ে আসছেন নওশাবা। তবে চলচ্চিত্রে এটি তার প্রথম পরিচালনা। ‘সোমেশ্বরী’ সিনেমায় তার বাইরে অধিকাংশ অভিনয়শিল্পীই মধ্যনগরের স্থানীয় বাসিন্দা, যাদের অনেকেই প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন।
নওশাবা জানান, এই সিনেমায় প্রকৃতিকে কেন্দ্র করেই গল্প বলা হয়েছে। পরিবেশ দূষণ ও তার প্রভাবই মূল বিষয়। তিনি বলেন, সাধারণত কাজের আগে তার নির্দিষ্ট প্রস্তুতি থাকে, তবে এই সিনেমায় অভিনয়ের পরিকল্পনা ছিল না। উপযুক্ত শিল্পী না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকেই প্রধান চরিত্রে অভিনয় করতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ জীবন ও মানুষের সঙ্গে ছোটবেলা থেকেই পরিচিত হওয়ায় চরিত্রটি ধারণ করতে খুব একটা কঠিন হয়নি। স্থানীয় মানুষের সহযোগিতাও কাজকে সহজ করেছে।
‘সোমেশ্বরী’ নির্মিত হয়েছে গ্রিন ফিল্মসের ব্যানারে, যা ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার একটি উদ্যোগ।






