সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: জমি বিরোধের জেরে ভাড়াটে খুনি ব্যবহারের অভিযোগে এজাহার

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার, তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও গৃহকর্মী তাহমিনা বেগম হত্যার ঘটনায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ভাড়াটে খুনি ব্যবহারের অভিযোগ তুলে কোতোয়ালি থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন নিহত দম্পতির মেয়ে সেলিনা সুলতানা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে দাখিল করা ওই এজাহারে ইম্পালস বিল্ডার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও মামলা প্রত্যাহারের জন্য বারবার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় পুলিশের হাতে আটক সন্দেহভাজন রংমিস্ত্রি বাবুল মিয়ার নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়নি।
এজাহারে সেলিনা সুলতানা উল্লেখ করেন, রিকাবীবাজারের সরষপুর এলাকায় লিজ নেওয়া ১২ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালতে স্বত্ব মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলা তুলে নিতে তাঁর বাবাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি মামলা সংক্রান্ত নথি, পূর্বের করা জিডির কপি ও দলিলাদি বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির এজাহার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এজাহারে আটক বাবুলের নাম না থাকার বিষয়ে তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ফলে অভিযোগে উল্লেখিত জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং বাবুলের সম্পৃক্ততা—দুই বিষয়ই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখবে।
উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট (বুধবার) সকালে নগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার একটি বাসার দোতলা থেকে গলাকাটা তিনজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরপরই জড়িত সন্দেহে বাবুল মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।





