সারা বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কৃতি শিক্ষার্থী হিসেবে সম্মাননা পেলেন মঠবাড়িয়ার মুছা কালিমুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার আমড়াগাছী ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি গ্রামের কৃতি সন্তান মোঃ মুছা কালিমুল্লাহ জাতীয় পর্যায়ে অসাধারণ শিক্ষাগত সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে সারা বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কৃতি শিক্ষার্থী সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
গত ৩০ জুন, ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ সম্মাননা, ক্রেস্ট ও সনদ গ্রহণ করেন।
মুছা কালিমুল্লাহ ২০০৩ সালের ১০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মঠবাড়িয়া উপজেলার আমড়াগাছী ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই তিনি অসাধারণ মেধার স্বাক্ষর রেখে আসছেন। জেডিসি, দাখিল ও আলিম—তিনটি পাবলিক পরীক্ষাতেই তিনি ধারাবাহিকভাবে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করেন। তিনি দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে আলিম সম্পন্ন করেন।
পরবর্তীতে ফাজিল পরীক্ষায় সারা দেশে তৃতীয় স্থান অর্জন করে তিনি নতুন কৃতিত্বের নজির স্থাপন করেন। ১,৪০০ নম্বরের পরীক্ষায় তিনি ১,২১৭ নম্বর অর্জন করেন, যা প্রতি বিষয়ে গড়ে ৮৬-এর বেশি নম্বর।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এএনএম এহসানুল হক মিলন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, দেশের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষবৃন্দ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কৃতি শিক্ষার্থীরা।
সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে মুছা কালিমুল্লাহ বলেন,
«"সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা মহান আল্লাহ তাআলার জন্য, যাঁর অসীম অনুগ্রহে আজকের এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। এরপর আমার বাবা-মা, পরিবারের প্রিয়জন, শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া ও ভালোবাসা এবং আমার সহযোদ্ধাদের সহযোগিতার প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই অর্জন শুধুমাত্র আমার ব্যক্তিগত নয়; এটি আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।"»
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মুছা কালিমুল্লাহ ভবিষ্যতেও তার মেধা, অধ্যবসায় ও সততার মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।এএনএম এহসানুল হক মিলন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, দেশের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষবৃন্দ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কৃতি শিক্ষার্থীরা।
সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে মুছা কালিমুল্লাহ বলেন,
«"সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা মহান আল্লাহ তাআলার জন্য, যাঁর অসীম অনুগ্রহে আজকের এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। এরপর আমার বাবা-মা, পরিবারের প্রিয়জন, শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া ও ভালোবাসা এবং আমার সহযোদ্ধাদের সহযোগিতার প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই অর্জন শুধুমাত্র আমার ব্যক্তিগত নয়; এটি আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।"»
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মুছা কালিমুল্লাহ ভবিষ্যতেও তার মেধা, অধ্যবসায় ও সততার মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।





