বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে যা বললেন তারেক রহমান

চীন-বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিলেন তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে এসে আন্তর্জাতিক মহলের বিশেষ নজর কেড়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের জনাকীর্ণ মিলনায়তনে বিদেশি সাংবাদিকদের সারিতে থাকা এক চীনা সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।
সেই চীনা সাংবাদিক তারেক রহমানের কাছে জানতে চেয়েছিলেন- ভবিষ্যতে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কোনদিকে যাবে এবং চীনের আলোচিত ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ বা বিআরআই প্রকল্প নিয়ে বিএনপির অবস্থান কী হবে?
অত্যন্ত ধীরস্থির ও কূটনৈতিক ভাষায় এর উত্তর দেন বিএনপির শীর্ষ নেতা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তার সরকারের প্রধান লক্ষ্য হবে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা। যদি কোনো প্রকল্প বা উদ্যোগ বাংলাদেশের প্রতিকূলে যায়, তবে তাতে সায় দেবে না তার দল। পারস্পরিক স্বার্থ ও সমমর্যাদার ভিত্তিতেই চীনের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি। বিশেষ করে সিল্ক রোড বা বিআরআই প্রকল্পের ক্ষেত্রে তিনি সাফ জানান, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কতটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে, তা বিচার-বিশ্লেষণ করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
চৌদ্দ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনটি ছিল মূলত বিজয়-পরবর্তী এক বিশেষ বার্তা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে জয়লাভের পর দেশবাসীর উদ্দেশ্যে নিজের রূপরেখা তুলে ধরেন তারেক রহমান। এই বিজয়কে তিনি কোনো ব্যক্তি বা দলের জয় হিসেবে না দেখে বরং ‘গণতন্ত্র ও সাধারণ মানুষের জয়’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। তবে যাত্রাপথ সহজ নয়; বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ থেকে অর্থনীতিকে টেনে তোলা এবং অকার্যকর হয়ে পড়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সচল করাই হবে নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।






