নিত্যপণ্যের বাজারে চড়া সুর: ফার্মের ডিমের ডজন ১৫০ টাকা, চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত

ঢাকা, ২৬ আগস্ট: নিত্যপণ্যের বাড়তি বাজারে ফার্মের ডিমের দাম অস্বাভাবিক চড়া থাকায় প্রোটিনের দৈনিক চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। গত দুই সপ্তাহ ধরে রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। পাশাপাশি হাঁসের ডিমের ডজন ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, রাইয়ানখোলা, মহাখালী, মিরপুর, আগারগাঁও ও কল্যাণপুরের একাধিক বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
মিরপুর এলাকার একাধিক ডিম বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাইকারি বাজারে প্রতি ১০০টি ডিম কিনতে খরচ হচ্ছে ১ হাজার ১২০ টাকা। ফলে প্রতি পিস ডিমের পাইকারি দর দাঁড়াচ্ছে ১১ টাকা ২০ পয়সা, যা খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকা ৫০ পয়সা দরে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, অব্যাহত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে খামারে মুরগির মৃত্যু এবং পোলট্রি ফিডের অতিরিক্ত দামের কারণে ডিমের উৎপাদন ও বিপণন খরচ বেড়ে গেছে।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ছয় মাসের ব্যবধানে হালিপ্রতি ডিমের দাম বেড়েছে ১৪ থেকে ১৬ টাকা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতি হালি ডিমের দাম ছিল ৩৪ থেকে ৪০ টাকা (প্রতি পিস ৮-১০ টাকা), যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়।
সাধারণ ক্রেতারা জানান, নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও প্রশাসনিক অভিযান পরিচালিত না হওয়ায় অসাধু সিন্ডিকেট কৃত্রিমভাবে দাম বাড়াচ্ছে। আয় না বাড়লেও ক্রমাগত বাজার খরচ বাড়তে থাকায় সংসারের ব্যয় সামলাতে চরম বিপাকে পড়ছেন তাঁরা।





